আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় শুনে অসন্তুষ্ট পরিবার ও সহপাঠীরা 

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:২৮:৫৬

আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় শুনে অসন্তুষ্ট পরিবার ও সহপাঠীরা 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদের হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর তার পরিবার ও সহপাঠীরা অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর রংপুরের বাবুনপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এমন প্রতিক্রিয়া জানান আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম।

পিতা মকবুল হোসেন বলেন, যে দুইজনকে ফাঁসি দিয়েছে আর তিনজনকে কারাদণ্ড দিয়েছে তাতে আমি সন্তুষ্ট নয়। আরো লোকের ফাঁসি হওয়া উচিৎ ছিল। তবে এক নাম্বারে ছাত্রলীগের পোমেল বড়ুয়া সে কিন্তু আমার ছেলেকে খুব মারপিট করছে লাঠিচার্জ করছে, গলাটিপে ধরেছিল, কানে কপালে থাপড়াইছিলো, পোমেল বড়ুয়া ছিল ছাত্রলীগের লিডার আর আমার ছেলে ছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমন্বয়ক। এদের অনেক কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ ছিল।

এছাড়া মা মনোয়ারা বেগম জানান, আরো বেশি আসামিকে শাস্তি দিলে আমরা খুশি হতাম। এতে আমরা খুশি নই। এ মামলায় যারা পালাতক রয়েছে তাদেরকে ধরে এনে আইনের আওতায় আনতে হবে।

শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের প্রথম শহীদের রায় পেলাম আজ। এখানে স্পষ্ট দেখা গেছে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ শহীদ হন। এটা পুলিশি হত্যাকাণ্ড ছিল। কিন্তু এখানে অনেক পুলিশকে সেভ করা হয়েছে, যেমন ওসি ইমরানকে সেভ করা হয়েছে।

শহিদ আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর আমাদের ভাইয়ের হত্যার রায় প্রকাশিত হয়েছে। এই রায় আমরা দেখেছি যারা বিভিন্নভাবে গুরুদণ্ডে দণ্ডিত তাদেরকে অনেক লঘু শাস্তি দেয়া হয়েছে। আমরা সেটি পুনরায় আদালতকে বিবেচনার দাবি রাখবো। এই যে যাদেরকে রঘুদণ্ড দেয়া হল এদের ব্যাপারে আদালত নিশ্চয়ই চিন্তাভাবনা করবে প্রত্যাশা রাখি। এই রায়ে যাদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে দ্রুত কার্যকর করা হয়।

‎উল্লেখ্য, মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জন পলাতক এবং ছয়জন কারাগারে আছেন। গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন– এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।

প্রজন্মনিউজ২৪

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ